Archive for অগাষ্ট, 2010

“টেলিটক দেশি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় দেশের সবার এ সংযোগ ব্যবহার করা উচিত” বলে মাননীয় টেলিযোগযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু গতকাল এক অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন! সকালবেলা এমন একটি খবর বিডিনিউজ২৪ এ দেখার পর আমার এই লেখার সূত্রপাত সেখান থেকেই। মাননীয় মন্ত্রীর উপরোক্ত বক্তব্যের সাথে আমরাও নিশ্চয় একমত পোষন করবো এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই। পাশাপাশি মন্ত্রীর এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে দেশ প্রেমের নমূনা ফুটিয়ে তোলার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদও  পাবে বৈকি। কিন্তু মুশকিলটা হয়ে গেলো তখনই যখন বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে (বিস্তারিত…)

রেড ক্রস ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো সংগঠন ও ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এতে বলা হয়েছে, পুরস্কার সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা সুইডেনের আলফ্রেড নোবেলের উদ্দেশ্যের চেয়ে এ ক্ষেত্রে নিজেদের পরিকল্পনাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন।শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুরস্কার প্রদান কমিটির সাবেক এক চেয়ারম্যানের অপ্রকাশিত একটি ডায়েরি সূত্রে রচিত একটি বইয়ে এ কথা বলা হয়েছে। ‘দ্য নোবেল পিস প্রাইজ, হোয়াট নোবেল রিয়েলি ওয়ান্টেড’ নামের দিনপঞ্জি থেকে আইনজীবী ফ্রেডরিক হেফারমেহল বইটি রচনা করেছেন। এতে বিগত দশকগুলোতে পুরস্কারের প্রবর্তক আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালে করা (বিস্তারিত…)

দীপংকর চন্দ | তারিখ: ২৮-০৮-২০১০

আগের রাতে প্রকৃতির আচরণ স্বাভাবিক ছিল না। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। প্রবল বাতাসের প্রশ্রয়ে তা বেড়েছিল উত্তরোত্তর। বৃষ্টি-বাতাসের এই যূথবদ্ধ প্রয়াস সীমাহীন সমুদ্রের বিপুল জলরাশিকেও প্রলুব্ধ করেছিল আদিম উল্লাসে মেতে উঠতে। প্রকৃতির এই অস্বাভাবিক আচরণে আমরা বাধ্য হয়েছিলাম এলজিইডি বাংলোর নিরাপদ আশ্রয়ে উঠে আসতে। তীব্র উত্কণ্ঠা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে অসময়োচিত নিদ্রার কোলে সমর্পিত করেছিলাম নিজেদের। পরদিন সকাল হতেই প্রকৃতি অপাপবিদ্ধ শিশুর মতোই উজ্জ্বল, উচ্ছল, প্রাণবন্ত। বাতাসের আচরণ শান্ত, সমাহিত। সুতরাং আরও কিছুক্ষণ ঘুমানোর ইচ্ছে পরিত্যাগ করে বাংলো থেকে নেমে এলাম আমরা। সৈকতের স্নিগ্ধ বালুকাবেলায় পা রাখতে না রাখতেই দেখা হলো আব্বাস হাওলাদারের সঙ্গে। গঙ্গামতীর দ্বীপে বাস করা এই শীর্ণ মানুষটি মাছভর্তি (বিস্তারিত…)

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কেকুরি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত একটি গ্রাম মোংলাকুটি। উপজেলা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে মঙ্গাকবলিত ওই গ্রামে ১০ বছর আগেও বেশির ভাগ পরিবারেই অভাব-অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। কিন্তু বিউটি বেগমের (৩৭) হাত ধরে শতরঞ্জির কাজ শিখে গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের দৈন্য অনেকাংশেই ঘুচেছে। গ্রামটি পরিচিতি পেয়েছে শতরঞ্জির গ্রাম হিসেবে। মোংলাকুটির শতরঞ্জি এখন ইউরোপের বাজারেও বিক্রি হচ্ছে। শতরঞ্জিতে নানান কারুকাজ করা ওয়ালম্যাট, গালিচা, পাপোশ, জায়নামাজ তৈরি করা শিখে নিজে যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন, তেমনি গ্রামের অনেক নারীকে এ কাজ শিখিয়ে তাঁদের আর্থিক উপার্জনের পথ দেখিয়েছেন বিউটি। শুধু তাঁর শতরঞ্জি তৈরির কারখানায়ই এখন শতাধিক দুস্থ নারী বেঁচে থাকার অবলম্বন খুঁজে পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন

অন্যদের সঙ্গে নিয়ে শতরঞ্জি তৈরিতে ব্যস্ত রংপুুরের পীরগাছা উপজেলার মোংলাকুটি গ্রামের বিউটি বেগম

ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলও ২০০৪ সালে বিউটির কারখানা পরিদর্শন করে তাঁকে উত্সাহ দিয়ে গেছেন। যেভাবে শুরু: রংপুর সদর উপজেলার পীরজাবাদ গ্রামের বিউটি বেগমের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় পঞ্চম শ্রেণীতে ওঠার পরই। ১৯৮৯ সালে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয় মোংলাকুটি গ্রামের আরেক হতদরিদ্র তরুণ আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে। আনোয়ারের দিনমজুরির আয়ে সংসার চলত না। আশ্বিন-কার্তিকের মঙ্গায় বেশির ভাগ দিন কেটেছে শাকপাতা খেয়ে।  বিউটি জানান, ১৯৯৯ সালের ঘটনা। দুই দিনেও কোনো খাবার না জোটায় বাবার বাড়িতে (বিস্তারিত…)

তিন হাজার টাকা দামের পানির মিটার ৯ হাজার টাকা দরে কিনছে ঢাকা ওয়াসা। বাজারমূল্যের চেয়ে তিন গুণ বেশি দামে সাড়ে চার হাজার মিটার কেনা হলে সংস্থার আর্থিক ক্ষতি হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। পাশাপাশি এই মিটারের পেছনে গ্রাহকের অতিরিক্ত অর্থ গচ্চা যাওয়া ছাড়াও দ্রুত বিকল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ জার্মানির কথা বলে কার্যত স্লোভাকিয়ায় তৈরি নিম্নমানের মিটার ওয়াসাকে গছিয়ে দিতে চাইছে ঠিকাদার। এতে বিলে গড়বড় দেখা দিতে পারে। ফলে ওয়াসারও রাজস্ব আদায়ে ধস নামার আশঙ্কা আছে।
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. তাকসেম এ খান অবশ্য কালের কণ্ঠের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ৮০ ডলার আর ২০ ডলারের শার্ট কখনোই এক হতে পারে না। এ ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি তাই। এই মিটারে কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার আছে, যা ওয়াসার রাজস্ব আদায় বাড়াবে। বিষয়টি বোঝাতে অনেক ব্যাখ্যার প্রয়োজন, কিন্তু ননটেকনিক্যাল লোক বিষয়টি নাও বুঝতে পারেন।
মিটার কেনার দরপত্র আহ্বানকারী ও মূল ভূমিকা পালনকারী ঢাকা ওয়াসার সংগ্রহ বিভাগ ২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুন্নেছা মিলি বলেন, “এই মিটার কেনার ব্যাপারে আমার বিরুদ্ধে ‘বেনিফিটেড’ হওয়ার কথা অনেকেই বলছে; কিন্তু আমি বেনিফিটেড না। মিটার কেনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা (বিস্তারিত…)

সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ফিরে আসছে। একই সঙ্গে মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকাও যেন বারবার পরিবর্তন করা না যায়, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ারও চিন্তা করা হচ্ছে। এরপর সরকার পরিবর্তন হলে যেন মুখবন্ধ এবং ঘোষণাপত্র বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি।
১৯৭২ থেকে এ পর্যন্ত তিন ধরনের উপক্রমণিকা বা মুখবন্ধসহ সংবিধান ছাপা হয়েছে। এ ছাড়া (১৯৭২ থেকে ১৯৭৯) পঞ্চম সংশোধনীর পূর্ব পর্যন্ত মুখবন্ধ ছিল এক ধরনের এবং সেসব সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত ছিল। পঞ্চম সংশোধনীর পর থেকে মুখবন্ধ পরিবর্তন করা হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া হয়। বিএনপি সরকারের প্রথমবার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত সংবিধান ছিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রবিহীন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখবন্ধ পরিবর্তন এবং ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করে।দেখা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৯৯৯ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর তত্ত্বাবধানে সংবিধান ছাপা হয় (১৯৯৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত)। কিন্তু এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর আবারও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই সময় সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আনা হয়। ২০০৬ সালের ১ আগস্ট চতুর্দশ সংশোধনীসহ সংবিধান ছাপা হয়। সেখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মুখবন্ধ পরিবর্তন করে আগের বিএনপি সরকারের সময়ের মতো করে মুখবন্ধ লেখা হয় এবং সেই সঙ্গে সংবিধান থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে কোনো ধরনের সংশোধন ছাড়াই সংবিধান ছাপা হয়। তবে সেখানে বিএনপি সরকারের সময়ে যুক্ত মুখবন্ধ পরিবর্তন করে নতুন মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকা যুক্ত (বিস্তারিত…)

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে কর্নেল তাহের নিজেও চেয়েছিলেন, তাঁর ও তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও বিচারের সত্য বিবরণ প্রকাশের ব্যবস্থা করা হোক। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ফাঁসি কার্যকর হওয়ার তিন দিন আগে কারাগার থেকে কর্নেল আবু তাহের, বীর উত্তমের লেখা শেষ চিঠিতে এ দাবির কথা উল্লেখ ছিল। চিঠিতে তিনি জানিয়েছিলেন, মামলার রায় ঘোষণার পর সংবাদপত্রে মামলার যে বিবরণ প্রকাশ করা হয়, তা মিথ্যা।
কর্নেল তাহেরের ওই চিঠি এখনো তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংরক্ষণ করে রেখেছেন। এ বিষয়ে তাঁর ভাই অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, রায় ঘোষণার পরদিন কয়েকটি সংবাদপত্রে কর্নেল তাহেরের জবানবন্দি বিকৃত এবং ভুল তথ্য সংযুক্ত করে উপস্থাপন করা হয়। সংবাদপত্রে তা পড়ে কর্নেল তাহের এর প্রতিবাদ জানিয়ে সত্য তথ্য প্রকাশের অনুরোধ জানান তাঁর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খান (প্রয়াত রাজনীতিবিদ) ও অ্যাডভোকেট জুলমত আলীর (পরে বিএনপি নেতা ও রাষ্ট্রদূত) কাছে।
চিঠিতে কর্নেল তাহের লেখেন, ”শ্রদ্ধেয় আব্বা, আম্মা, প্রিয় লুৎফা, ভাইজান ও আমার ভাইবোনেরা। গতকাল বিকালে ট্রাইব্যুনালের রায় দেয়া হল। আমার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। ভাইজান (তাহেরের বড় ভাই আবু ইউসুফ খান) ও মেজর জলিলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সমস্ত (বিস্তারিত…)