কারাগারের মালী ম্যান্ডেলার পদক্ষেপ

Posted: অগাষ্ট 13, 2010 in Uncategorized

একজন মালীর মূল দায়িত্বই গাছে রঙবেরঙের ফুল ফোটানো। সব ঋতুতে, সব ধরনের আবহাওয়া_ গ্রীষ্মের তাপদাহ, বর্ষার জলসমারোহ, শীতের কনকনে ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে আপাত ঊষর মাটিতেও জীবনের ফল্গুধারা নিয়ে আসাতেই তার সার্থকতা, এর ব্যতিক্রম গোটা বিশ্বের কোনো দেশে তো নেই-ই, এমনকি বন্দিশালা কারাগারেও নেই। তবে সাধারণত কারাগারের কোনো বন্দির কাঁধেই এ দায়িত্ব অর্পিত হয়, লৌহকঠিন দেয়ালঘেরা হলেও ছোট্ট গরাদের ফোকর থেকে ক্ষণিকের মুক্তিই হয়তোবা নিয়ে আসে এই বাগান গড়ার কাজ, বুকের হাঁপরে সুবাতাস ভরে হয়তো নিজের অজান্তেই খালি পায়ে মখমল নরম সবুজ ঘাসের স্পর্শে ফিরে আসে মুক্ত জীবনের স্মৃতি আর আশা জাগায়আবার সেই আলোমাখা জীবনে ফিরে যাওয়ার।
এমন এক সাবেক কারাগারের প্রায় আকাশছোঁয়া উচ্চতার চার দেয়ালে ঘেরা চত্বরে দাঁড়িয়ে আছি, সাবেক কারণ অনেক বছর আগেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্বর্ণশহর বলে খ্যাত জোহানেসবার্গের এই কনস্টিটিউশন হিল কারাগারকে তার আঁধারঘেরা ইতিহাস থেকে অব্যাহতি দিয়ে পরিণত করা হয়েছে জাদুঘরে, দর্শনার্থীরা যেন দেখতে পারে ইতিহাসের কালোতম অধ্যায়গুলো আর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন এর পুনরাবৃত্তি না করে কখনও।

প্রতিদিন হাজারো মানুষের ঢল নামে এই সাবেক কারাগার তথা বর্তমান জাদুঘরের পানে, জোহানেসবার্গে আসা পর্যটকদের জন্য তো অবশ্য দ্রষ্টব্য, তার মূল কারণ_ এখানেই তো অনেক অনেক বছর আগে কালোমানুষের মুক্তি দাবিতে সোচ্চার এক প্রতিবাদী তরুণ নেতাকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল লৌহকপাটের পেছনে, তার বন্দি জীবনে দায়িত্ব ছিল এই প্রাণহীন ঊষর পরিবেশে মালীর কাজ করা, যাতে পেতেন তিনি নবজীবন সৃষ্টির আনন্দ, সেই কারাগারের মালীর পরিবার প্রদত্ত নাম মাদিবা রোহিহলালা গোটা বিশ্বের কাছে খুব পরিচিত না হলেও কোটি কোটি মানুষের মনের মুকুরে তিনি চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন নেলসন ম্যান্ডেলা নামে!
হ্যাঁ, পাঠক, এই কারাগারেই ১৯৬২ সালে বন্দিজীবন শুরু হয় নেলসন ম্যান্ডেলার। মানুষের মুক্তি, মানবতার মুক্তির দাবিতে সোচ্চার এই চিরতরুণ কণ্ঠকে চিরস্তব্ধ করার হীন উদ্দেশ্যে সাজানো বিচারের নাটক দিয়ে বন্দি করা হয় তাকে, বন্দিজীবনে হাতে তুলে দেওয়া হলো কোদাল-খুন্তি। পরবর্তীকালে রচিত বিশ্বের অন্যতম পঠিত আত্মজীবনী লং ওয়াক টু ফ্রিডম-এ ম্যান্ডেলা অকুণ্ঠভাবে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন সেই বাগান জীবনের কথা_ সেই একটুকরো সবুজের ছোঁয়া তাকে নিয়ে যেত ইট-কাঠ-কংক্রিটের ক্লেদময় নরকে থেকে অন্য কোথাও, নতুন কিছু গড়ার আনন্দ, নিজ হাতে রোপিত বীজ থেকে অঙ্কুরিত সবুজ লতানো চারা সাময়িক মানসিক মুক্তি দিত সেই বন্দিত্ব থেকে। প্রতিদিন সকালে ঘণ্টা বাজার পরপরই খড়ের টুপি মাথায় দিয়ে খসখসে দস্তানা পরে কাজের ময়দানে, প্রতি রোববারেই রান্নাঘরে টাটকা সবজি চালান দিতে হতো, যাতে বান্ধবীরা একটা দিন হলেও টাটকা কিছু খেতে পারে।
ইতিহাসের কয়েক পাতা উল্টালে দেখা যায় এই স্থাপনার যাত্রা শুরু হয়েছিল দুর্গ হিসেবে, পরে ১৮৯২ সাল থেকে তা কারাগারে রূপান্তরিত হয়, যদিও এক পর্যায়ে শুধু সাদা বন্দিদের জন্য তা ব্যবহৃত হতো, বিশেষ বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া, ১৯৮৩ সালে এই কারাগারের যবনিকাপাত ঘটলেও তার সঙ্গেই অবস্থিত আদালতের কার্যক্রম চলতে থাকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত। কনস্টিটিউশন হিল কারাগারে বন্দি হিসেবে ছিলেন বিশ্বের অহিংস আন্দোলনের প্রবর্তক মহাত্মা গান্ধীও। কারাগার চত্বরের এক কোণে প্রহরীর পর্যবেক্ষণের স্তম্ভ, খানিকটা ফাঁকা জায়গা, বান্ধবীদের নানা অনুশীলন বা মার্চপাস্টের জন্য আর সারি সারি বন্দিদের কক্ষ। প্রান্ত ঘুরে গেলাম ম্যান্ডেলাকক্ষে, এখানে সোনালি সময়গুলো আঁধারে অতিবাহিত করেছেন মর্ত্যের এই স্বর্গবাসী, একনিষ্ঠ মনে চালিয়ে যেতে চেয়েছেন পড়ালেখা এই অন্ধকুটিরে, জ্ঞান অন্বেষণ থেকে কিছুই দমাতে পারেনি এই জ্ঞানসেবককে। এই কক্ষটাতে এখন স্থান হয়েছে তার বিভিন্ন সময়ে লেখা চিঠি, রোজনামচার। সেই সঙ্গে তার লেখা বই তো আছেই, আর আছে তাকে নিয়ে হওয়া বিভিন্ন বিচার ও আন্দোলনের নানা স্মারক, উপরে লেখা কয়েদি নম্বর ৪৬৬-৬৪, কারাগারের মালী! এর খানিক দূরে আইসোলেশন সেল, অতি ভয়ঙ্কর বা অবাধ্য কয়েদিদের মারাত্মক শাস্তি দিতে হলে এই ছোট্ট খুপরিতে (যেখানে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ ঠিকভাবে শুতে পারেন না) আবদ্ধ করা হতো, কোনো মানুষের জন্য আর কোনো শাস্তির প্রয়োজন নেই, আলো-বাতাস, দরজা-জানালাহীন ঘরে, সপ্তাহের পর সপ্তাহের আবদ্ধতা যে কাউকেই মানসিকভাবে প্রবল অসুস্থ করে তুলতে পারে, টয়লেট ব্যবস্থা ভেতরেই এক বালতিতে, খাবার মিলত হয়তো দিনে একবার। জানা যায়, অনেক বন্দিকে এর মধ্যে এক বছরেরও অধিক সময় অতিবাহিত করতে হয়েছে। আমার সঙ্গী জিম্বাবুইয়ান স্ট্যানলে একটু মজা করেই বলল, ভেতরে যেয়ে থাক না মিনিট পাঁচেকের জন্য, হাড়ে হাড়ে বুঝে যাবে বন্দিদের অভিজ্ঞতা। না, সেই সাহস আর করলাম না বরং রওনা দিলাম ম্যান্ডেলার বাড়ির (যে বাড়ি তিনি নিজের শ্রমে গড়েছেন, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল মহান সেই আন্দোলন আর তার পারিবারিক জীবন) উদ্দেশে। পথে চোখে পড়ে জোহানেসবার্গের বিশালার ম্যান্ডেলা সেতু, যার উপরে ফুটবল বিশ্বকাপ হাতে ম্যান্ডেলার হাস্যোজ্জ্বল ছবি।
সোয়েতো, জোহানেসবার্গের অদূরেই এত শহরতলির অবস্থান, যদিও এর আদি বাসিন্দারা নিজেদের সোয়েতোর বাসিন্দা পরিচয় দিতেই গর্ববোধ করেন, এই এলাকাতেই অবস্থিত দুই নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর আবাস, নেলসন ম্যান্ডেলা ও আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু। পশ্চিম সোয়েতোর অরলান্ডোর ৮১১৫ নম্বর বাড়িটার সামনে সারাবছরই দর্শনার্থীদের ভিড়, ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৬২, সুদীর্ঘ ষোল বছর গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত এই বাড়িতেই ছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি, আত্মজীবনীতে লিখেছেন প্রায় তিন দশক জেলখাটার পর মুক্তি পেড়ে যখন স্ত্রী উইনির সঙ্গে এই বাড়িটিতে ফিরে আসেন তখনই কেবল তার মনে বিশ্বাস আসে যে তিনি আজ মুক্ত, এই বাড়িটিই তার সমগ্র সত্তার কেন্দ্রবিন্দুতে। টিকিটের জন্য লম্বা লাইন, বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরে সুযোগ মিলল ভেতরে ঢোকার, প্রথমেই লাল ইটের দেয়াল, সেখানে বিভিন্ন জায়গায় ইটের ওপরে ধাতব পাতে খোদাই করে লিপিবদ্ধ করা আছে এই বাড়িকে ঘিরে ম্যান্ডেলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসের নানা ঘটনা, যেমন ১৯৫১ সালে তার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের যুব সংঘের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া, ১৯৪৬ সালে তার প্রথম স্ত্রী ইভেলিন ও পুত্র মাদিবা থেমবিকেলের সঙ্গে এই লাল বাড়িতে আগমন, নানা ঘটনার পরিক্রমা, উইনি ম্যান্ডেলার সঙ্গে পরিণয়, গ্রেফতার, বাড়িটির বাইরের দেয়ালে আজও দেখা যায় গুলির চিহ্ন, মলোটভ ককটেলের তৈরি ক্ষত। ১৯৯৭ সালে ম্যান্ডেলা স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করার জন্য দান করেন। প্রথমেই ম্যান্ডেলার পাসবই পোড়ানোর ঐতিহাসিক ছবি, কালোদের আপন দেশে অত্যাচারী সাদা শাসকরা কালোদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এই পাসবই ব্যবস্থা চালু করেছিল, পাসবই ছাড়া ধরা পড়লে ছিল কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা। ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্য নেতা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই আপন আপন পাসবই জনসমক্ষে আগুনে পোড়ান। বলা যায়, কয়েকটি কক্ষের অতি ছোট একখানা বাড়ি, তার চেয়েও ছোট্ট একখানা উঠান। আফ্রিকার এই অঞ্চলের আর দশটা বাড়ির মতোই টিনের ছাদ, সিমেন্টের মেঝে, সরু রান্নাঘর, পেছনের দিকে আদিকালের টয়লেট। বেডরুমটি এতই ছোট যে, দু’জন মানুষ শোয়ার উপযোগী বড় বিছানা পাতলে তা মেঝের অধিকাংশই দখল করে ফেলে। তাই তো চোখে পড়ল ছোট বিছানা, আটপৌরে আসবাবপত্র। ম্যান্ডেলার লেখা চিঠিপত্র, নানা নথিপত্র, তাকে নিয়ে প্রকাশিত সারাবিশ্বের নানা পত্রিকার সংগ্রহ, নানা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া সম্মানসূচক ডিগ্রি, ঘটনাময় জীবনের নানা বাঁকের দুর্লভ সব আলোকচিত্র, এমনকি সাবেক বিশ্ব মুষ্টিযোদ্ধা চ্যাম্পিয়ন সুগাররে লিওনার্ডের চ্যাম্পিয়ন বেল্টটিও রয়েছে এখানে, যা তিনি ম্যান্ডেলাকে দিয়েছিলেন শুভেচ্ছাস্বরূপ। এক দেয়ালে ঝুলছে দক্ষিণ আফ্রিকার অকৃত্রিম বন্ধু ফিদেল কাস্ত্র্রোর সঙ্গে ম্যান্ডেলার হাস্যোজ্জ্বল আলোকচিত্র। পাঠক, জানেন কি কারাগারের প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি ও মানুষের অধিকারের দাবিতে বলিষ্ঠ দীর্ঘ ভূমিকা পালনের জন্য ম্যান্ডেলা সবসময়ই ফিদেল কাস্ত্রোকে ‘মাই প্রেসিডেন্ট’ বলে সম্বোধন করেন! এটিই ছিল সত্যিকার অর্থে ম্যান্ডেলার প্রথম বাড়ি এবং এই ক্ষুদে বাসস্থানকে নিয়েই সবসময় অত্যন্ত গর্ব অনুভব করেন তিনি। মন্ত্রমুগ্ধের মতো বেশ খানিকটা সময় অতিবাহিত করে বের হয়ে এলাম রোদেলা রাস্তায়। পরের গন্তব্য ছিল ফুটবল দেখার উদ্দেশ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে পুরনো শহর এবং সেই সঙ্গে পুরো আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে নয়নাভিরাম শহর কেপটাউন। আর কেপটাউন যাওয়া মানেই তো অবশ্য দ্রষ্টব্য এককালের কারাগার আর বর্তমানে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট কুখ্যাত কারাগার রোবেন আইল্যান্ড। শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মাঝখানে এই ছোট দ্বীপেই ১৮ বছর বন্দি ছিলেন ম্যান্ডেলা। সেখানে যেতে হলে ফেরি ছাড়া গতি নেই, কাজেই ফেরির টিকিট কিনতে সোজা বন্দরে, যার নাম আবার নেলসন ম্যান্ডেলা গেটওয়ে। বিশ্বকাপ ফুটবলের জোয়ারে তখন চলছিল এক প্রদর্শনী, তাতে ছিল ১৯৬৯ সালে গঠিত রোবেন আইল্যান্ড ম্যাকানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহাসিক যাত্রার নানা আলোকচিত্রের সম্ভার, ম্যান্ডেলা নিজেও বন্দিত্বকালে এই অ্যাসোসিয়েশনের নানা ধরনের ক্রীড়ার মাধ্যমে শরীরচর্চার সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। আর আছে টেবিল মাউনটেন, বিশ্বের অন্যতম প্রাকৃতিক বিস্ময় এই পর্বতের পাদদেশেই গড়ে উঠেছে কেপটাউন শহর। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খাড়া সাড়ে তিন হাজার ফুট উঠে গেলেও এর মাথাটা টেবিলের মতো সমতল কয়েক বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে। আত্মজীবনীতে ম্যান্ডেলা বারবার উল্লেখ করেছেন এই পর্বতের কথা, জানিয়েছেন যখনই এই পর্বতটি দৃষ্টিপথে পড়ত, জানতেন ওই তো তার প্রিয় স্বদেশ। একদিন ফিরবেনই তিনি সেখানে মুক্ত-স্বাধীন মানুষ হিসেবে। এখানকার পর্যটকদের মধ্যে অতি জনপ্রিয় টেবিল পর্বতে আরোহণ করা। অধিকাংশই কাজটা সারে কেবল কারে চেপে আর আমাদের মতো অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের হাইকিং করে। হাইকিং করে সরু সরু পাথুরে ট্রেইল বেয়ে মিনিট চলি্লশেক ওঠার পরই দূরে সমুদ্রের মাঝে কালো টিপ রোবেন দ্বীপ নজরে এলো। মনে হলো ম্যান্ডেলার কথা। ভাবছিলাম আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা, পরের দিনই তো যাচ্ছি রোবেন দ্বীপে। কিন্তু বিধিবাম, পরেরদিন উত্তাল সাগরের কারণে সব ফেরিযাত্রা বাতিল হয়ে গেল, এমনকি এর পরের দিনও ভাগ্যের নশ্যিকে ছিঁড়ল না খারাপ আবহাওয়ার কারণে। মনকে প্রবোধ দিলাম_ এক যাত্রায় তো আর সবকিছু সম্ভব হয় না; তবে আবার কোনো একদিন নিশ্চয়ই আসব দক্ষিণ আফ্রিকায়। তখন নিশ্চয় যাব রোবেন দ্বীপে। এক মাসের ভ্রমণে ম্যান্ডেলার আপন দেশে সর্বক্ষণ তার বাণী, সংগ্রাম, জীবন মানসপটে সর্বদাই সমুজ্জ্বল থাকত। পৃথিবীর সব রাজনীতিবিদ মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির কথা বলে যান; কিন্তু তা ব্যক্তিগত জীবনে কঠোরভাবে পালন করতে পেরেছেন একমাত্র নেলসন ম্যান্ডেলা। তাই তো তিনি পৃথিবীর সব অত্যাচারিত মানুষের মুক্তির প্রতীক।

সংগ্রহ-সমকাল

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s