এনজিওর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করায় সরকার বিপাকে

Posted: অগাষ্ট 23, 2010 in Uncategorized

তৈরি পোশাক খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টির দায়ে একটি এনজিও’র রেজিস্ট্রেশন বাতিল করায় সরকার বেশ বিপাকে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা ব্যবহারের বিষয়টি। এর আগে কোন এনজিও’র রেজিস্ট্রেশন বাতিল নিয়ে এত কঠিন চাপের মুখে পড়েনি সরকার। তবে তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা এ চাপ মোকাবেলায় অনিবাসী বাংলাদেশীদের কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। পরিস্থিতি সামলাতে শ্রমমন্ত্রী উদ্যোক্তা ও শ্রমিক নেতাদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন। শ্রমমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন দৈনিক যুগান্তরকে জানান, ‘প্রয়োজনে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র যাব।’ সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে রেজিস্ট্রেশন ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। রেজিস্ট্রেশন ফিরিয়ে না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা বাতিলেরও হুমকি দিয়েছে বেশকিছু আন্তর্জাতিক সংগঠন।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভও হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জনমতও গঠন করছে ওই এনজিও’র সমর্থকরা। এ অবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে শ্রমমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেতে পারেন। সফরকালে তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত, শ্রম পরিস্থিতি ও কোন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এনজিও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছিল তা তুলে ধরা হবে বলে সূত্র জানায়। মন্ত্রীর ওই সফরে বিজিএমইএ, বিকেএমএই ও শ্রমিক নেতারাও থাকবেন। তবে সফরের সময়সূচি এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ কানাডা, ফ্রান্স ও ইইউ’র চাপের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমমন্ত্রীর সভাপতিত্বে রোববার উচ্চ পর্যায়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বাণিজ্য সচিব, শ্রম সচিব, শিল্প সচিব ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন। সভা সূত্র জানায়, শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র সফর করে তৈরি পোশাক খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৪টি দেশের রাষ্ট্রদূতকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সলিডারিটি সেন্টার পুনঃ রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করলে তা বিবেচনা করা হতে পারে। ১৯ আগস্ট এ চিঠি পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য দেড় হাজারেরও বেশি ই-মেইল এসেছে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে। কানাডা, ইতালি, সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নানা শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধি ও সংস্থার পক্ষ থেকে এসব বার্তা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে এমনও বার্তা আসছে, রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে কানাডায় ব্যুরোর মহাপরিচালক এলে গ্রেফতার করা হবে।

সংগ্রহ- দৈনিক যুগান্তর

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s