৩০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে

Posted: অগাষ্ট 24, 2010 in Uncategorized

দেশের অভ্যন্তরে ও বহির্বিশ্বে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে ৩০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) স্থাপন করবে সরকার।
আগে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হয়নি—এমন ৩০ জেলায় স্থাপন করা হবে এ কেন্দ্রগুলো। এ জন্য সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ৬৯৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়সংবলিত একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটির নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর অর্থাৎ ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির উদ্যোক্তা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আর বাস্তবায়নকারী সংস্থা

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)। একনেকে উপস্থাপিত টিটিসি প্রকল্পটির কার্যপত্রে বলা হয়েছে, বিএমইটি কর্তৃক চারটি প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ২৬টি কারিগরি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নতুন প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে বাস্তবায়িত প্রকল্পের অভিজ্ঞতার আলোকেই। যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হলে বেকারত্ব অনেকাংশে দূর হবে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক হবে। নতুন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য শিগগিরই ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে বলেও কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয় প্রকল্পটিতে ৪০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেবে বলে জানা গেছে। সভায় এই প্রকল্পটিসহ এক হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ের মোট পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়। প্রকল্পগুলোর অর্থায়নের মধ্যে জাপানের সুদ মওকুফ তহবিল (জেডিসিএফ) থেকে ১০০ কোটি টাকা থাকলেও বাকি এক হাজার ৭৪৭ কোটি টাকাই খরচ হবে সরকারের তহবিল থেকে। অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘পল্লি বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণ ঢাকা বিভাগীয় কার্যক্রম-১ প্রকল্প’, ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘পল্লি বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণ চট্টগ্রাম-সিলেট বিভাগীয় কার্যক্রম-১ প্রকল্প’, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’, এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্প’। সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খন্দকার, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান, যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, মন্ত্রিপরিষদ-সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগ্রহ- দৈনিক প্রথম আলো ২৪.০৮.১০

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s