তিথির প্রতি সহানুভূতি

Posted: অগাষ্ট 25, 2010 in Uncategorized

বখাটেদের ছোড়া পাথরে আহত পঞ্চগড় সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্রী আলেমা আকতার তিথি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। চিকিৎসক বলছেন, দু-এক দিনের মধ্যে সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবে। আহত হওয়ার সাত দিন পর তিথি গতকাল বুধবার মায়ের কাছে নিজের বইপত্রের খোঁজ নিয়েছে। অন্যদিকে, হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তিথিকে নিয়ে গতকাল কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্তরের লোকজন হাসপাতালে গিয়ে তাকে সহানুভূতি জানান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার রহমান,সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহাব উদ্দীন, স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন পরস্পরের নির্বাহী পরিচালক আকতারুন নাহার সাকী, জেলা যুব মহিলা লীগের সমন্বয়ক মাহমুদা আখতার মোল্লা দিপু প্রমুখ। বোদা উপজেলার কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব কালিয়াগঞ্জ (নতুনগঞ্জ) গ্রাম থেকে স্কুলে পড়তে যাওয়ার পথে ১৮ আগস্ট বখাটেদের হামলার শিকার হয় তিথি। বখাটেদের ছুড়ে মারা পাথরে সে মাথার পেছনে আঘাত পায়। জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর বাবা ও নিকটাত্মীয়রা তিথিকে উদ্ধার করে

সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর গত সোমবার পুলিশ তিথির বাবাকে বোদা থানায় ডেকে নিয়ে আট বখাটের বিরুদ্ধে একটি মামলা করায়। পুলিশ সুপার শাহরিয়ার রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মামলা দায়েরের আগে থেকেই আসামিরা পলাতক। তাদের না ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে তদবির করা হচ্ছে। কিন্তু এমন একটি অমানবিক ঘটনায় কেউ ছাড় পাবে না। অবশ্যই বখাটেদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’ গতকাল দুপুরে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বাহারাম আলী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, শক্ত খাবার খেতে না পারায় সোমবার থেকে তিথিকে গ্লুকোজ জাতীয় স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অস্থিরতা ও ব্যথা প্রশমনের জন্য বিভিন্ন ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। ব্যথার জন্য কণ্ঠনালির শিরাগুলোতে টান পড়ায় সে শক্ত খাবার খেতে পারছিল না। তবে এখন ব্যথাও অনেকটা কমে গেছে।’ তিথির মা জহুরা বেগম জানান, গতকাল সকালে তিথি কলা খেয়েছে। এতে মনে হচ্ছে গলার ব্যথাও কমছে। সকালে তিথি তার বই-খাতা কোথায় আছে সে ব্যাপারে জানতে চায়। তাকে আশ্বস্ত করেছে স্বজনরা।

সংগ্রহ- কালের কন্ঠ ২৬.০৮.১০

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s