সংবিধানে ফিরে আসছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

Posted: অগাষ্ট 27, 2010 in Uncategorized

সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ফিরে আসছে। একই সঙ্গে মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকাও যেন বারবার পরিবর্তন করা না যায়, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ারও চিন্তা করা হচ্ছে। এরপর সরকার পরিবর্তন হলে যেন মুখবন্ধ এবং ঘোষণাপত্র বাদ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করতে না পারে সে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি।
১৯৭২ থেকে এ পর্যন্ত তিন ধরনের উপক্রমণিকা বা মুখবন্ধসহ সংবিধান ছাপা হয়েছে। এ ছাড়া (১৯৭২ থেকে ১৯৭৯) পঞ্চম সংশোধনীর পূর্ব পর্যন্ত মুখবন্ধ ছিল এক ধরনের এবং সেসব সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত ছিল। পঞ্চম সংশোধনীর পর থেকে মুখবন্ধ পরিবর্তন করা হয় এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া হয়। বিএনপি সরকারের প্রথমবার ক্ষমতায় থাকা পর্যন্ত সংবিধান ছিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রবিহীন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখবন্ধ পরিবর্তন এবং ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করে।দেখা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৯৯৯ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর তত্ত্বাবধানে সংবিধান ছাপা হয় (১৯৯৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত)। কিন্তু এরপর ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর আবারও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই সময় সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আনা হয়। ২০০৬ সালের ১ আগস্ট চতুর্দশ সংশোধনীসহ সংবিধান ছাপা হয়। সেখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মুখবন্ধ পরিবর্তন করে আগের বিএনপি সরকারের সময়ের মতো করে মুখবন্ধ লেখা হয় এবং সেই সঙ্গে সংবিধান থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে কোনো ধরনের সংশোধন ছাড়াই সংবিধান ছাপা হয়। তবে সেখানে বিএনপি সরকারের সময়ে যুক্ত মুখবন্ধ পরিবর্তন করে নতুন মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকা যুক্ত

করা হয়। জানা গেছে, সংবিধানের ছাপানো কপি শেষ হয়ে যাওয়ায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত আইনসচিব কাজী হাবিবুল আউয়ালের তত্ত্বাবধানে ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল সংবিধান ছাপানো হয়। সেই সংবিধানেও মুখবন্ধ পরিবর্তন করা হয়।
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠিত হওয়ার আগেই এ বিষয়টি সংবিধান বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিক ও বিভিন্ন মহলে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। সবাই চান, দেশের সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যুক্ত করা অত্যাবশ্যক করা হোক এবং মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকাও যেন বারবার পরিবর্তন না করে একই রকম রাখা হয়। সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটিও এ বিষয়টি আমলে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন ১০ আগস্ট কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন এবং সংবিধানের মুখবন্ধ পরিবর্তন করে বিএনপি ও সামরিক সরকার ইতিহাস বিকৃতির প্রমাণ দিয়েছে। আমি মনে করি, আগামী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে এবার অন্তত সত্যিকারের ইতিহাস তুলে ধরে এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করে সংবিধান সংশোধন উচিত।’ তিনি আরো বলেন, ‘সে কারণেই আমাদের বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যেতে হবে।’ বিশেষ কমিটিকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।
আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘সংবিধান নিয়ে যখন যা খুশি করা যাবে না। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস অনেক উজ্জ্বল। সারা পৃথিবী তা জানে। কাজেই এটাকে নিয়ে কোনো ধরনের বিকৃত চর্চা করা যাবে না। এবার যেহেতু বৃহদাকারে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে, তাই সবকিছুর সুরাহা হওয়া উচিত। সংবিধানে অবশ্যই স্বাধীনতার ঘোষণা সংযুক্ত করা হবে_এটাই আমার প্রত্যাশা।’
স্পিকার অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ বলেন, ‘সপ্তম জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ সংশোধনীর সময় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু চতুর্দশ সংশোধনীর সময় বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সেই ঘোষণাপত্র রাখেনি। আমি মনে করি, সময়ের প্রয়োজনে রাষ্ট্রের জন্য সংবিধান সংশোধন হওয়া একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বা মুখবন্ধে যে বিষয়গুলো থাকবে, তার পরিবর্তন কেন হবে?’
দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত দুবার বিএনপি ও দুবার আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতা পেয়েছে। মাঝে ২০০৭ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় দুই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশ পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে প্রতিটি সরকারের সময়েই সংবিধানের মুখবন্ধ বা উপক্রমণিকায় পরিবর্তন এসেছে এবং বিএনপি সরকারের সময়ে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শুধু মুখবন্ধ পরিবর্তন করা হয়।
২০০০ সালের ৩১ মে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রসহ সংবিধান মুদ্রণ করেছিল। সেখানে মুখবন্ধে বলা হয়, ‘আমাদের স্বাধিকার সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭০-৭১ সালের নির্বাচন একটি মাইলফলক। সেই নির্বাচনে সংবিধান প্রণয়নসহ জনগণের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আওয়ামী লীগকে ম্যান্ডেট দিয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক জান্তারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে থাকে।’
ওই মুখবন্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে বলা হয়, ‘১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাত্রে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী অতর্কিত গণহত্যা, ধর্ষণসহ শান্তি ও মানবতাবিরোধী অন্যান্য অপরাধ সংঘটন করিতে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কয়েক দিন পর ১০ই এপ্রিল তারিখে জনপ্রতিনিধিগণ মুজিবনগরে সমবেত হইয়া একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর উক্ত ঘোষণাকে সমর্থন ও অনুমোদন করেন। একই ঘোষণাবলে নিজেদের সমন্বয়ে একটি গণপরিষদও গঠন করা হয়।’
এতে আরো বলা হয়, ‘পক্ষান্তরে বাংলাদেশের জনগণ জাতীয় অস্তিত্ব ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বানে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দিয়ে সশস্ত্র সংগ্রাম ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। অতঃপর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ কর্তৃক প্রণীত সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর বলবৎ হয়।’ সংবিধানের মুখবন্ধে পুরো বিষয়টি সংযুক্ত করা প্রসঙ্গে বলা হয়, ‘সংবিধানকে সঠিকভাবে জানিতে হইলে উহার পূর্ববর্তী সাংবিধানিক দলিলাদি সম্পর্কে ওয়াকেবহাল থাকা প্রয়োজন। কারণ এই দলিল সংবিধানের অন্তর্নিহিত নীতি ও উদ্দেশ্য উপলব্ধিতে এবং উহা বাস্তবায়নে সহায়ক। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (যাহা সংবিধানে লিপিবদ্ধ আদি উৎস), আইনের অবিরাম কার্যকারিতা আদেশ-১৯৭২, সংবিধান সংশোধনকারী সংসদ প্রণীত আইনসমূহ, সামরিক আইন ফরমান আদেশসমূহ ইত্যাদি পৃথকভাবে পরিশিষ্ট আকারে সংযোজন করা হইয়াছে।’
২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসে। ২০০৬ সালের ১ আগস্ট তৎকালীন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের তত্ত্বাবধানে সংকলিত সংবিধানে বলা হয়, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে পদদলিত করিয়া এই অঞ্চলে কায়েমি স্বার্থ ও শাসন শোষণ বজায় রাখিবার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে নিরস্ত্র জনগণের উপর পাকিস্তান সেনাবাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের জাতীয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে তাহার বাসভবন হইতে গ্রেপ্তার করিয়া তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানে লইয়া যাওয়া হয়। জনগণের নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই ঘোর দুঃসময়ে আক্রান্ত দেশবাসীকে কোনো দিকনির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হন।’
সেই মুখবন্ধে আরো বলা হয়, ‘সেই অবস্থায় সময়ের অনিবার্য দাবিতে প্রতিরোধ যুদ্ধের নেতা হিসেবে সেনাবাহিনীর তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র হইতে স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা প্রদান করেন। তখন ওই অঞ্চলের জনগণ স্বাধীনতার প্রত্যয়ে রুখিয়া দাঁড়ান এবং সৈনিক, পুলিশ, আনসার, রাইফেল বাহিনীর সদস্য ও ছাত্র-তরুণেরা স্বতঃস্ফূর্ত হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়িয়া তোলে, প্রতিরোধ যুদ্ধে উন্নীত হয় জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ।’
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়, ‘ইতোপূর্বে প্রকাশিত সর্বশেষ সংকলনে সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি পাঠ ছাড়াও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, আইনের অবিরাম কার্যকারিতা আদেশ ১৯৭১, বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ ১৯৭২, সংবিধান সংশোধন আইনসমূহ, ফরমান এবং ফরমান আদেশসমূহ পৃথক পরিশিষ্ট আকারে সংযোজন করা হইয়াছিল। কিন্তু উল্লেখিত পরিশিষ্টসমূহ সংবিধানের কোনো অংশ নয় বিধায়, বাহুল্য বর্জনের লক্ষ্যে বর্তমান সংকলন হইতে উক্ত পরিশিষ্ট বাদ দেওয়া হইয়াছে।’
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কপি শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে সংবিধানের কয়েক হাজার কপি ছাপানো হয়। সেখানে মুখবন্ধ বাদ দিয়ে উপক্রমণিকা লেখা হয়। সেই সংবিধানেও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়নি। সেই উপক্রমণিকায় বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হচ্ছে সংবিধান। প্রজাতন্ত্রেও সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে উহার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বিধৃত হয়েছে রাষ্ট্রের লক্ষ্যসমূহ, রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি এবং ঘোষিত ও নিশ্চিত হয়েছে মৌলিক মানবাধিকারসহ স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি ও রক্ষাকবচ। এ সংবিধান বাংলাদেশের সকল আইনের প্রধান উৎস ও দিক-নির্দেশনা।’
আরো বলা হয়েছে, ‘ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে হালনাগাদ সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত করে, প্রাসঙ্গিক পাদটিকাসহ, সংকলিত আকারে সংবিধান প্রকাশিত হয়েছে। দেশের শাসনতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময় নির্বাচিত সরকার দ্বারা দেশ পরিচালিত না হবার কারণে ১৯৭৫ সনের ১৫ই আগস্টের পর হতে ১৯৭৭ সন পর্যন্ত বিভিন্ন ফরমান ও ফরমান আদেশ দ্বারা সংবিধানে কতিপয় পরিবর্তন সাধন করা হলেও তা কেবল ইংরেজি পাঠেই সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সনের দ্বিতীয় ফরমান আদেশ নং ৪-এর দ্বিতীয় তফসিল দ্বারা ১৯৭৫-১৯৭৭ সনের সংশোধিত ইংরেজি পাঠের সাথে বাংলা পাঠের সংগতি সাধন করা হয়। তবে ইংরেজি পাঠের চতুর্থ তফসিলের চধৎধমৎধঢ়য ৬অ এবং ৬ই ু-এর বাংলা পাঠ সনি্নবেশিত হয়নি। তাছাড়া সংবিধান (অষ্টম সংশোধন) আইন, ১৯৮৮ দ্বারা প্রতিস্থাপিত নতুন অনুচ্ছেদ ১০০ সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ে এখতিয়ারবহির্ভূত ও অকার্যকর ঘোষিত হয় এবং তদানুসারে মূল অনুচ্ছেদ ১০০ পুনঃস্থাপিত হয়।
সংবিধান মুদ্রণ প্রসঙ্গে বলা হয়, সরকারি কাজে ব্যবহার এবং অনুসন্ধিৎসু পাঠকের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান পুনর্মুদ্রণ ও প্রকাশ করা হলো।

সংগ্রহ- কালের কন্ঠ ২৮.০৮.১০

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s