Archive for সেপ্টেম্বর, 2010

যোগাযোগটি কাকতালই বটে। সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ ঘোষণার রায় এবং পাট ও পাটজাতদ্রব্য দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্যের স্থান অধিকারের ঘটনা প্রায় একই সময়ের। বাংলাদেশের পাট খাতের সর্বনাশের ষোলকলা পূর্ণ করেছিলেন এই এরশাদ। ১৯৮২ সালে তাঁর ঘোষিত শিল্পনীতিকে শিল্পধ্বংস-নীতি বলাই যুক্তিযুক্ত। বিশ্বব্যাংকের কাঠামোগত সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি মালিকানাধীন ৬৫০টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় ছাড়া হয়। এটাই ছিল এযাবৎকালে বিশ্বের সব থেকে বড় বেসরকারীকরণ। ৬২টি পাটকলের মধ্যে ৩৩টি বিক্রি করা হয় এমন লোকদের কাছে, যাদের শিল্প চালানোর কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। মুজিব ও জিয়া আমলে পাট-বস্ত্র ও চিনিশিল্প রুগ্ণ হয়ে পড়ে এবং এরশাদ আমলে সেসবের পূর্ণ বারোটা বাজে। বিশ্বের আর কোথাও একটি দেশের শিল্প-অর্থনীতিকে এত দ্রুত কাবু করার কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। বাঙালিরা কখনোই বড় কোনো শিল্প খাত গঠন করতে পারেনি। ব্রিটিশ আমলে কিছু করেছিল মাড়োয়ারি পুঁজিপতিরা, পাকিস্তান আমলে তাদের জায়গা নেয় পশ্চিম পাকিস্তানি আদমজী, বাওয়ানী, ইস্পাহানীরা। বাহাত্তর সালে এদেরই ফেলে যাওয়া ৫৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৎকালীন মুজিব সরকার জাতীয়করণ করে। এগুলো লাভজনকভাবে টিকিয়ে রাখা তো দূরের কথা, বরং জাতীয়করণের নামে দলীয় লোকজন ও আমলারা এগুলোকে দুর্নীতির মাধ্যমে ফোঁপরা করে দেয়। বাংলাদেশের ইতিহাস সাক্ষী, পাটের শত্রু মানেই জাতীয় শত্রু। গত দুই শ বছরের বাংলার ইতিহাসের বড় অংশজুড়ে পাটই ছিল নায়কের ভূমিকায়। আঠারো (বিস্তারিত…)

Advertisements

একটি স্কুল ড্রেসের জন্য

Posted: সেপ্টেম্বর 18, 2010 in Uncategorized

‘স্যার আপনার গাড়িটা মুছে দেই, দেন না স্যার। আপনি খুশি হইয়া যা দিবেন তাই নিবো। স্যার একটু মুছি দেই।’ এভাবেই গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফরিদপুরের বিভিন্ন গাড়ির মালিক ও চালকদের কাছে মিনতি করছিল স্কুলছাত্র মো. হাসান শেখ (১৩)। কারণ, বিদ্যালয়ে যেতে তার একটি শার্ট-প্যান্ট কেনার টাকা দরকার, সেই সঙ্গে মায়ের হাতে কিছু টাকা দেওয়া দরকার। ঈদের সময় দৌলতদিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলমুখী মানুষ ও যানবাহনের ভিড় বাড়ে। গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে ঘাটে যানবাহনের চাপও বেড়েছে। এর মধ্যে ছোট গাড়ির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। ভিড়ে আটকে থাকা

গাড়ি মুছছে হাসান শেখ

গাড়ি মুছে সামান্য কিছু টাকা জোগাড় করতে দরিদ্র পরিবারের সন্তান হাসান তাই বিদ্যালয়ের পরিবর্তে এখন দৌলতদিয়ার ঘাটে। হাসানের বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের গান্ধিমারা (বারোমল্লিকা) গ্রামে। পড়াশোনা করে উপজেলার গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে। আলাপকালে হাসান জানায়, দুই বছর আগে তার দিনমজুর বাবা আতর আলী শেখ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে এক রকম বিনা চিকিৎসায় মারা যান। পাঁচ ভাইবোন ও মাকে নিয়ে তাদের সংসার। একদিকে পড়ালেখার খরচ, অন্যদিকে পরিবারের ভরণপোষণ। তাই মা আনোয়ারা বেগম রাস্তায় মাটি কাটেন ও বড় ভাই আক্কাছ শেখ (১৪) মানুষের বাড়িতে কাজ করে। অভাবের সংসারে বিদ্যালয়ে যাওয়ার মতো শার্ট-প্যান্ট নেই হাসানের। এ জন্য সে সিদ্ধান্ত নেয় ঈদের মৌসুমে কিছু টাকা কামিয়ে শার্ট-প্যান্ট কিনবে এবং মায়ের হাতে কিছু টাকা তুলে দেবে। হাসান প্রথমে একদিন বাসে চকলেট বিক্রি করে, কিন্তু লাভ না হওয়ায় সে ইচ্ছা বাদ দেয়। বুধবার সকাল থেকে সে গাড়ি (বিস্তারিত…)

আগামী সংসদ অধিবেশনে যোগদান প্রসঙ্গে বিরোধী দল যে শর্তগুলো দিয়েছে তারমধ্যে “যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ‘হয়রানি’ বন্ধ করতে হবে’ অন্যতম।” যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে কোথায় বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীরা হয়রানির শিকার হলো বিএনপি কি সেটা বলতে পারবে? আমার জানামতে এখন পর্যন্ত যে কয়জন যুদ্ধাপোরাধের দায়ে গ্রে…ফতার হয়েছেন তারা সকলেই চিহ্নিত রাজাকার এবং যুদ্ধাপরাধী। বিএনপি কি তাদের কথাই বলছেন? যদি তাই হয় তাহলে কি বিএনপি রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না ধরে নেব?

ওরা স্বপ্ন ফেরি করে

Posted: সেপ্টেম্বর 17, 2010 in Uncategorized

১৭ শতকের দিকে জাপানের টোকিও ও ওসাকা শহরে নৃত্য ও সংগীতশিল্পী-রূপে গেইশাদের আবির্ভাব। প্রথমদিকে পেশাটিতে পুরুষেরা থাকলেও ১৮ শতকের মাঝামাঝি থেকে নারীরা এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে। এ ধারা এখনো বজায় আছে। পুরুষের ইন্দ্রীয় সুখের জন্য গেইশা-নারীরা কাজ করলেও এরা সাধারণত শয্যাসঙ্গী হয় না।
‘আমি মানুষের চোখ দেখে দেখে ক্লান্ত। আমি যা নই, তা হওয়ার ভান করে ক্লান্ত, তোষামোদ পেতে পেতে ক্লান্ত। আমি নিজেকে একজন দিলখোলা সৎ মানুষ হিসেবে দেখতে চাই, যা অনুভব করি তা করতে চাই। কিন্তু পেশার কারণে তা কোনো দিনও হবে না।’ জাপানের কিয়োটো শহরের জীবন নিয়ে ক্লান্ত এক গেইশা-নারীর বয়ান এটি। ওই দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও সম্পদশালী ভোগী পুরুষের মনোরঞ্জনে নিয়োজিত নারীদের গেইশা নামে আখ্যায়িত করা হয়। এসব নারী জীবিকার জন্য ওই সব পুরুষের কাছে ফেরি করে ফেরে তাদের শিল্পীসত্তা। কঠোর বিধিনিষেধ আর গোপনীয়তার বেড়াজালে বাঁধা গেইশাদের জীবন। ১৭ শতকের দিকে জাপানের টোকিও ও ওসাকা শহরে নৃত্য ও সংগীতশিল্পী-রূপে এদের আবির্ভাব। প্রথমদিকে পেশাটিতে পুরুষেরা থাকলেও ১৮ শতকের মাঝামাঝি থেকে নারীরা এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে। এ ধারা এখনো বজায় আছে। পুরুষের ইন্দ্রীয় সুখের জন্য গেইশা-নারীরা কাজ করলেও এরা সাধারণত শয্যাসঙ্গী হয় না। কেউ যদি হয়, তবে সেটা তার (বিস্তারিত…)

World Environment Day 2010

Posted: সেপ্টেম্বর 13, 2010 in Uncategorized
Let’s have zeal to self tune in sasrai-Movement policy and be committed to save resource and reduce solid waste no matter how small it is in our daily living. Plz relentless to voice from all corner across the globe
q        Please, save a drop of water daily, during all water related activities
q        Please, plant at least a tree annually in own home or in the community
q        Please, keep off electric appliances one minute daily
q        Please, suspend travel by personal car once a day
q        Please, keep a day in a week luxury free
q        Please, do not throw away the waste wherever you like.
q        Please, No more junk food
q        Please, save one minute to think on Climate Change and Environment
q        You could uphold the movement instantly using sasrai-Movement appeal at the bottom of your all printed material

দেশের কৃষকদের কাছে কৃষি তথ্য সরবরাহ করছে বেসরকারি কলসেন্টারগুলো। কিন্তু বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ নির্ভুল তথ্য দিতে পারছে না। ভুল তথ্য বা পরামর্শের কারণে ব্যাপক আকারে ফসলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এতে শুধু কৃষকই নয়, বরং সমগ্র দেশই বিপর্যয়ের  মধ্যে পড়তে পারে। কিন্তু বেসরকারি লাইসেন্সধারী কলসেন্টারগুলো ভুল তথ্য সরবরাহ করলেও এ বিষয়ে কোনো নীতিমালা না থাকায় এগুলিকে শাস্তির মুখোমুখি করানো যাচ্ছে না। তাই সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের কল সেন্টারের জন্য আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন বিশেষজ্ঞরা। আবার এ কলসেন্টারগুলো যদি কৃষকদের কাছে নির্ভুলভাবে কৃষি তথ্য পৌঁছে দিতে পারে, তাহলে তা কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য সরকারি উদ্যোগে বেসরকারি কলসেন্টারকে উৎসাহিত করতে। তবে এর আগে এ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে আনতে হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ অনেক দেশে কলসেন্টারের মাধ্যমে (বিস্তারিত…)

উত্তর-পশ্চিম শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (এনসিডিপি) জোড়াতালি দিয়ে শেষ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্রকল্পের ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ৭৬টি বাজার তৈরির পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে আটটি ‘রিফার ভ্যান’ কেনা হয়েছিল। বেশির ভাগ বাজার কৃষকের কাজে লাগেনি, ভ্যান পড়ে আছে রাজধানীতে। এসব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না নিয়েই একই ধরনের নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের ১৮টি ও উত্তর-পশ্চিমের নয়টি জেলায় নতুন প্রকল্পের কাজ এ বছরের শেষ নাগাদ শুরু হবে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। কৃষিসচিব সি কিউ কে মুশতাক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এনসিডিপি উচ্চমূল্যের শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে সফল প্রকল্প। তবে প্রকল্পে নতুন বাজারব্যবস্থা চালুর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা কাজে আসেনি। শেষ হওয়া প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কৃষকেরা নিতে পারেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় নেওয়া ওই প্রকল্পটি (২০০১-২০০৮) মূল্যায়ন করেছে। মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষকেরা উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদন করলেও বাজারব্যবস্থায় যথেষ্ট ত্রুটি ছিল। ওই প্রকল্পের আওতায় ১৬টি জেলায় টমেটো, বেগুন, পেঁপে, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, মুগ ডাল, সীম, আদা, কলাসহ ৩৩টি ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ওই অঞ্চলে এসব ফসলের উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন। প্রকল্প শেষে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৬১ হাজার মেট্রিক টন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদন বাড়লেও উপজেলাপর্যায়ে ২০ জনের যে কৃষি বিপণন দল (ফারমার্স মার্কেটিং গ্রুপ) গঠন করা হয় তা সক্রিয় ছিল না। বাজারগুলো প্রকল্প শেষে চালু (বিস্তারিত…)