Archive for the ‘Agriculture’ Category

পৃথিবীতে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন দেশ আছে কি না জানা নেই, যে দেশের সংসদ সদস্যরা ৫০০% শুল্ক মুক্ত গাড়ী ব্যবহার করে! অর্থাৎ যে গাড়ীটির দাম ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, সেই গাড়ীটি এ দেশের সংসদ সদস্যরা ব্যবহার করে মাত্র ৩৩ লাখ টাকায়। আর ৩৩ লাখ টাকার গাড়ীও মনে হয় না, বাংলাদেশের মত নিম্ন কিংবা মধ্যম আয়ের কোন দেশের সাংসদরা ব্যবহার করে! এ তো বললাম ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা দামের গাড়ীর কথা, কেউ কেউ বোধ হয় আছেন তারও বেশী! এই দামেও যদি ধরি তাহলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার প্রায় ৪৫০ কিংবা তারও বেশী টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে! অথচ যে মানুষগুলো অর্থাৎ যে কৃষকেরা (দেশের বেশীরভাগ মানুষ যেহেতু কৃষি কাজের সাথে যুক্ত) ভোট দিয়ে তাঁদের মহান নেতাদের সংসদে পাঠায় তাঁদের পক্ষে কথা বলার জন্য, কৃষির উন্নয়নের জন্য, কৃষকের (বিস্তারিত…)

উত্তর-পশ্চিম শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (এনসিডিপি) জোড়াতালি দিয়ে শেষ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্রকল্পের ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ৭৬টি বাজার তৈরির পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে আটটি ‘রিফার ভ্যান’ কেনা হয়েছিল। বেশির ভাগ বাজার কৃষকের কাজে লাগেনি, ভ্যান পড়ে আছে রাজধানীতে। এসব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না নিয়েই একই ধরনের নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের ১৮টি ও উত্তর-পশ্চিমের নয়টি জেলায় নতুন প্রকল্পের কাজ এ বছরের শেষ নাগাদ শুরু হবে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। কৃষিসচিব সি কিউ কে মুশতাক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, এনসিডিপি উচ্চমূল্যের শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে সফল প্রকল্প। তবে প্রকল্পে নতুন বাজারব্যবস্থা চালুর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা কাজে আসেনি। শেষ হওয়া প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা কৃষকেরা নিতে পারেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সময় নেওয়া ওই প্রকল্পটি (২০০১-২০০৮) মূল্যায়ন করেছে। মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষকেরা উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদন করলেও বাজারব্যবস্থায় যথেষ্ট ত্রুটি ছিল। ওই প্রকল্পের আওতায় ১৬টি জেলায় টমেটো, বেগুন, পেঁপে, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, মুগ ডাল, সীম, আদা, কলাসহ ৩৩টি ফসল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ওই অঞ্চলে এসব ফসলের উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন। প্রকল্প শেষে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৬১ হাজার মেট্রিক টন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উৎপাদন বাড়লেও উপজেলাপর্যায়ে ২০ জনের যে কৃষি বিপণন দল (ফারমার্স মার্কেটিং গ্রুপ) গঠন করা হয় তা সক্রিয় ছিল না। বাজারগুলো প্রকল্প শেষে চালু (বিস্তারিত…)

BB boss personally hands out farm loans in Sherpur

Posted: নভেম্বর 13, 2009 in Agriculture

Bangladesh Bank governor Atiur Rahman disbursed Tk 2 crore among 603 farmers in three upazilas of Sherpur on Thursday.

Bangladesh Bank aims to disburse Tk 11,500 crore among farmers in the current fiscal year. (বিস্তারিত…)

কৃষিঋণ বিতরণ নিয়ে অনিয়ম আর দুর্নীতির অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর আতিউর রহমান।

বৃহস্পতিবার নিজে শেরপুরের তিন উপজেলার ৬০৩ জন কৃষকের মধ্যে প্রকাশ্যে প্রায় ২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করলেন তিনি।

এসময় আবারো দেশের অর্থনীতিতে কৃষকদের অবদানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন গভর্নর। (বিস্তারিত…)

কৃষি ঋণ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) নিয়ে আইএমএফের (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অতিউর রহমান। শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় শ্যুটিং ফেডারেশন মিলনায়তনে বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের নতুন প্রকল্প ‘এক্সিম কিষাণ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। আইএমএফ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতির চলমান মন্দার কারণে ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হবে না। (বিস্তারিত…)

Fertiliser supply to be ensured

Posted: জানুয়ারি 7, 2009 in Agriculture

New Agriculture Minister Matia Chowdhury yesterday gave indication of reducing diesel price and ensuring supply of fertiliser to the farmers to help them during the current Boro season. She said an announcement about diesel price might come soon from the prime minister. “We do not want the farmers to suffer from a shortage of fertiliser and cannot let it happen,” she told journalists on her first day in office. The agriculture minister said the present government’s first priority will be to bring down the prices of essentials. “If any government sincerely wants to check the price hike of essentials, it is possible. We had proved it earlier and will prove it again,” Matia said. The minister said she would visit the kitchen markets to monitor the prices of essentials. Matia said during the tenure of AL government between 1996 and 2001, Hasina used to send her people to the markets to have the real picture, which helped her control the prices of essentials. Replying to a query about taking actions against ‘the syndicates’, she said the prime minister will not hesitate to take any step against them. Stressing the need for buffer stock, she said the government’s another priority is to increase the country’s food production. They will also focus on agro-based industries to increase production, which will also help create new jobs. “We want to make Bangladesh not only self-sufficient in food but also a country with food surplus,” she said.