Archive for the ‘Economics’ Category

যোগাযোগটি কাকতালই বটে। সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ ঘোষণার রায় এবং পাট ও পাটজাতদ্রব্য দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্যের স্থান অধিকারের ঘটনা প্রায় একই সময়ের। বাংলাদেশের পাট খাতের সর্বনাশের ষোলকলা পূর্ণ করেছিলেন এই এরশাদ। ১৯৮২ সালে তাঁর ঘোষিত শিল্পনীতিকে শিল্পধ্বংস-নীতি বলাই যুক্তিযুক্ত। বিশ্বব্যাংকের কাঠামোগত সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি মালিকানাধীন ৬৫০টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় ছাড়া হয়। এটাই ছিল এযাবৎকালে বিশ্বের সব থেকে বড় বেসরকারীকরণ। ৬২টি পাটকলের মধ্যে ৩৩টি বিক্রি করা হয় এমন লোকদের কাছে, যাদের শিল্প চালানোর কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। মুজিব ও জিয়া আমলে পাট-বস্ত্র ও চিনিশিল্প রুগ্ণ হয়ে পড়ে এবং এরশাদ আমলে সেসবের পূর্ণ বারোটা বাজে। বিশ্বের আর কোথাও একটি দেশের শিল্প-অর্থনীতিকে এত দ্রুত কাবু করার কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। বাঙালিরা কখনোই বড় কোনো শিল্প খাত গঠন করতে পারেনি। ব্রিটিশ আমলে কিছু করেছিল মাড়োয়ারি পুঁজিপতিরা, পাকিস্তান আমলে তাদের জায়গা নেয় পশ্চিম পাকিস্তানি আদমজী, বাওয়ানী, ইস্পাহানীরা। বাহাত্তর সালে এদেরই ফেলে যাওয়া ৫৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান তৎকালীন মুজিব সরকার জাতীয়করণ করে। এগুলো লাভজনকভাবে টিকিয়ে রাখা তো দূরের কথা, বরং জাতীয়করণের নামে দলীয় লোকজন ও আমলারা এগুলোকে দুর্নীতির মাধ্যমে ফোঁপরা করে দেয়। বাংলাদেশের ইতিহাস সাক্ষী, পাটের শত্রু মানেই জাতীয় শত্রু। গত দুই শ বছরের বাংলার ইতিহাসের বড় অংশজুড়ে পাটই ছিল নায়কের ভূমিকায়। আঠারো (বিস্তারিত…)

বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ এবং সংস্থা থেকে সরবরাহকারী ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয়েছে চীন থেকে, ২০ বার। এরপরই ভারতের অবস্থান। ভারত থেকে নেওয়া সরবরাহকারী ঋণের সংখ্যা ১৮ বার। এ ছাড়া রাশিয়া থেকে নেওয়া হয়েছে ১০ বার এবং নেদারল্যান্ড থেকে আটবারবাংলাদেশ প্রথম সরবরাহকারী ঋণ বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট নেয় স্বাধীনতার কিছু পরেই। প্রথম ঋণটি নেওয়া হয় অস্ট্রিয়া থেকে ১৯৭২ সালে, সিলেট পাল্প মিলের জন্য। আর এরপর ১৯৭৩ সালের ২ জুলাই একসঙ্গে পাঁচটি সরবরাহ ঋণের চুক্তি করা হয়েছিল।
পুরাতন জাহাজ কেনার জন্য এই ঋণ নেয় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু রাখতে এই ঋণ নিতে সরকার বাধ্য হয়েছিল। এই সরবরাহকারী ঋণ দেয় মস্কো নারোডনাই ব্যাংকের সিঙ্গাপুর শাখা। সব মিলিয়ে নেওয়া হয় এক কোটি ৫৪ লাখ ৩৬ হাজার ডলার। পাঁচ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে এবং সুদহার ছিল ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ। (বিস্তারিত…)

কৃষিঋণ বিতরণ নিয়ে অনিয়ম আর দুর্নীতির অবসান ঘটাতে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর আতিউর রহমান।

বৃহস্পতিবার নিজে শেরপুরের তিন উপজেলার ৬০৩ জন কৃষকের মধ্যে প্রকাশ্যে প্রায় ২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করলেন তিনি।

এসময় আবারো দেশের অর্থনীতিতে কৃষকদের অবদানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন গভর্নর। (বিস্তারিত…)

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের আলোচিত ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প ফের চালু করছে বর্তমান সরকার।

চার বছরের এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। (বিস্তারিত…)

কৃষি ঋণ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি প্রবৃদ্ধি) নিয়ে আইএমএফের (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অতিউর রহমান। শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় শ্যুটিং ফেডারেশন মিলনায়তনে বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের নতুন প্রকল্প ‘এক্সিম কিষাণ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। আইএমএফ বলছে, বিশ্ব অর্থনীতির চলমান মন্দার কারণে ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হবে না। (বিস্তারিত…)

Effective economic diplomacy amid crisis

Posted: ফেব্রুয়ারি 19, 2009 in Economics, Foreign direct investment(FDI)

While Economic Diplomacy is something of a buzz phrase these days in policy circles, its importance has undoubtedly grown in a face of a global financial crisis that is expected to intensify over the balance of 2009.

The term can cover a wide range of activities of government, from specialist agencies domestically to the role of our embassies overseas in promoting the economic interests of Bangladesh overseas. (বিস্তারিত…)

Implement Basel-II to cut banking risks

Posted: ফেব্রুয়ারি 16, 2009 in Economics

Now it is the right time for Bangladesh to implement the standards of Basel-II for minimising risks in the banking sector, said Adviser to the Prime Minister on Economic Affairs Dr Mashiur Rahman yesterday.

Implementing Basel-II will help reduce the internal risks of banks in the time of global financial meltdown, he said.

“The standards of Basel-II will also help identify the risky lending areas,” Mashiur said. (বিস্তারিত…)